Information News

শিক্ষক নিয়োগ ও এমপিও নীতিমালায় যেসব পরিবর্তন আসছে
Date Added: 2016-03-02

Description

 

 
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক নিয়োগে আরও বেশকিছু পরিবর্তন আসছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, তৃতীয় শ্রেণীপ্রাপ্ত কাউকে নিয়োগ না করা। এ বিষয়ে মাউশির উপপরিচালক মেজবাহউদ্দিন সরকার বলেন, শর্তটি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব আছে। নতুন শিক্ষানীতিতে এ নিয়ে কাজ চলছে।
 
সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত এমপিও নীতিমালায় আরও বেশকিছু নতুনত্ব আসছে। এর মধ্যে আছে, এমপিও পেতে হলে পাবলিক পরীক্ষায় স্কুলের পাসের হার ৭০ শতাংশ এবং কলেজের জন্য পাসের হার ৬০ শতাংশ হতে হবে। মাধ্যমিক স্তরের (ষষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণী) স্কুলে এমপিওভুক্তির জন্য শহর এলাকায় ৬০ জন ও মফস্বল এলাকায় ৪০ জন পরীক্ষার্থী (পাবলিক পরীক্ষায়) থাকতে হবে। বর্তমানে এ সংখ্যা যথাক্রমে ৫০ ও ৩০ জন। পাসের হার বর্তমানে ৫০ শতাংশ থাকতে হয়। মাদ্রাসার দাখিল ও আলিম স্তরে এমপিওভুক্তির জন্য পাসের হার ৭০ শতাংশ লাগবে। পরীক্ষার্থী থাকতে হবে শহর এলাকায় ৪০ জন ও মফস্বলে ৩০। বর্তমানে আরও ১০ জন কম আছে।
 
স্নাতক (পাস) স্তরের কলেজ এমপিওভুক্তির জন্য শিক্ষার্থী থাকতে হবে শহর এলাকায় ৫০ জন ও মফস্বল এলাকায় ৩৬ জন। বর্তমানে থাকতে হয় যথাক্রমে ৪০ জন ও ২৬ জন। পাসের হার লাগবে কমপক্ষে ৬০ শতাংশ। বর্তমানে এটি আছে ৫০ শতাংশ। ফাজিল (পাস) মাদ্রাসা ও কামিল মাদ্রাসায় পাসের হার হতে হবে ৬০ শতাংশ। বর্তমানে পাসের হার লাগে ৫০ শতাংশ।
 
তবে দেশব্যাপী শত শত কলেজে বিভিন্ন বিষয়ে অনার্স প্রোগ্রাম চালু থাকলেও প্রস্তাবিত নীতিমালায় এসব কলেজের শিক্ষকদের এমপিও দেয়ার বিষয়টি এখনও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। উল্লেখ্য, গত বছরের ৬ জুন এমপিও নীতিমালার ওপর অনুষ্ঠিত জাতীয় সেমিনারেও এ শর্ত আরোপের দাবি ওঠে।
 
এদিকে নীতিমালার প্রথম খসড়ায় প্রায় দেড় লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর পদ বাড়ানোর প্রস্তাব ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত খসড়ায় এ সংখ্যা কমছে। নাম প্রকাশ না করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বিদ্যমান নীতিমালায় মাধ্যমিক ও নিুমাধ্যমিক স্কুল-মাদ্রাসায় বাংলা, ইংরেজি ও সমাজের জন্য একজন শিক্ষক ছিলেন। প্রথম খসড়ায় সেটি ৩ জন করা হয়েছিল। কিন্তু চূড়ান্ত খসড়ায় ২ জন করা হয়েছে। বিজ্ঞানেও একজন করে শিক্ষক বাড়ানোর প্রস্তাব বাদ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে বিজ্ঞানের বিষয়ে ১ জন শিক্ষক নিয়োগ করা যায়। প্রথম খসড়ায় ২ জন করার প্রস্তাব ছিল।
 
নাম প্রকাশ না করে এক শিক্ষক নেতা বলেন, তাদের প্রস্তাব ছিল- পদার্থ, রসায়ন, জীববিদ্যা প্রত্যেক বিষয়ের জন্য একজন করে নিয়োগের। সেখানে না বাড়িয়ে কমানোর উদ্যোগ সঠিক নয়। কেননা পদার্থ-রসায়নের মতো ভৌত বিজ্ঞানের শিক্ষকের পক্ষে জীববিজ্ঞান পড়ানো সম্ভব হতে পারে। তবে তা হবে হাতুড়ে ডাক্তারের মতো।
 
তবে চারুকলা, কম্পিউটার শিক্ষা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে একজন করে শিক্ষক বাড়ছে। সরকার বাধ্যতামূলক করায় এই তিনটি বিষয়ে খোলার জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতিও লাগবে না। এ ব্যাপারে গত সপ্তাহে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।
 
দেশে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ নিবন্ধিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ৪০ হাজার প্রতিষ্ঠান মাধ্যমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের। এই ৪০ হাজারের মধ্যে ৩৮ হাজারই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের যার মধ্যে প্রায় ২৮ হাজার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীকে তাদের বেতন-ভাতা বা এমপিও দেয় সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মোট বাজেটের ৬৪ ভাগেরও বেশি অর্থ চলে যায় এ খাতে।

- See more at: http://www.shampratikdeshkal.com/special-reports/2016/03/01/17578#sthash.Y5c2TFZM.eYNDXien.dpuf

 

Share on Facebook Share on Twitter

 

Upload Your Resume

Posting CVs on Eurojobs.com is completely FREE. You can manage all your applications and vacancies from within your account.

Upload Your Resume

Find Job Now

We connect you to the employer you deserve - all over the world through online events, face-to-face summitsand dedicated recruiting projects.

Find A Job Now